শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে আই সি ইউ তে এখনো মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করা শিপনই এখন দুর্ভাগা মায়ের একমাত্র জীবিত ছেলে।

Date: 2026-02-28
news-banner
রিপোটার:-মো:শাখাওয়াত হোসাইন।

চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণে কুমিল্লা 
জেলার বরুড়ার উপজেলা আড্ডা ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামের মৃত আঃমালেকের তিন ছেলে দগদ্ধ হয়। তাদের মধ্যে বড় এবং মেজু দুই ছেলেই বার্ণইউনিটে চিকিৎসাদিন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। একমাত্র বেঁচে রইল শুধু ছোট  ছেলে শিপন। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে লড়াই করেই যাচ্ছেন। পাঁচটি লাশের ভারে পাথর হয়ে আছে স্বামি হারা একজন মা। এখন শুধু তাঁর শেষ সম্বল ছোট ছেলে শিপন ও বড় ছেলের নাতিন ও মেজো ছেলের নাতি ও নাতিন, তারা সুস্থ হয়ে ফেরার প্রতীক্ষায় প্রহর গুনছে পুরো গ্রাম ও ইউনিয়ন সহ বরুড়া বাসী।

শিপনই এখন শেষ আশার প্রদীপ
তিন ভাইয়ের সাজানো সংসারে দুই ভাই (শাখাওয়াত ও সুমন এবং তাদের স্ত্রী ) মারা গেলেও শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে  এখনো আই সি ইউ তে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ে যাচ্ছেন ছোট ছেলে শিপন হোসেন। শিপনই এখন এই দুর্ভাগা মায়ের একমাত্র জীবিত ছেলে। 

কুমিল্লার বরুড়া বাসি এবং আড্ডা ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামে এখন একটাই প্রার্থনা— "আল্লাহ, অন্তত শিপনকে  যেন আর কেড়ে নিয়ে তার বিধবা মায়ের কোল একেবারেই খালি না করে।

​একই ঘটনায় মৃত্যু শাখাওয়াতের মেয়ে স্নিগ্ধা (১০), মৃত্যু সুমনের ছেলে আনাস(৬)ও মেয়ে আয়েশা (৪) এবং ছোট ছেলে শিপন সহ ঢাকা বার্ন ইউনিটে আই সি ইউ তে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন। 
একটি অনাকাঙ্ক্ষিত বিস্পরনে পুরো পরিবারকে ধ্বংস করে দেওয়া এই ঘটনায় দেশজুড়ে বইছে শোকের ছায়া। আমরা আল্লাহর কাছে বেশি বেশি করে দোয়া করি এ রমজান মাসের উসিলায় তাদেরকে যেন আল্লাহ সুস্থ করে ফিরিয়ে দেয়।

Leave Your Comments