চট্রগ্রামের হালিশহরে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণ: মৃত্যুর মিছিলে যুক্ত হলেন পরিবারের কর্তা শাখাওয়াত ও, নিহতের সংখ্যা ৫!
______________মো:শাখাওয়াত হোসাইন_______
চট্টগ্রামের হালিশহরে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ হয়ে গত দুই দিনে একই পরিবারের পাঁচজন সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। চার জন আশংকা জনক অবস্থায় চিকিৎসাদিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে।পরিবারটির ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া এই বিপর্যয়ে এখনো থামেনি মৃত্যুর শঙ্কা। এই মর্মান্তিক ঘটনায় পুরো দেশে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। মৃত্যুর এই মিছিল যেন থামছেই না, শুধু লম্বাই হচ্ছে। স্ত্রী, সন্তান, ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রীর পর এবার না ফেরার দেশে চলে গেলেন পরিবারের কর্তা শাখাওয়াত হোসেনও। আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি আনুমানিক ল সকাল ১০:৪৫ মিনিট এর সময় চিকিৎসাধীন অবস্থায় ঢাকায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।
১০০ শতাংশ দগ্ধ হয়ে জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা শাখাওয়াত শেষ পর্যন্ত হার মানলেন মৃত্যু কাছে। এই নিয়ে একই পরিবারের মোট ৫ জন সদস্য প্রাণ হারালেন। আজ সকাল ৯টায় স্থানীয় ছোটতুলাগাঁও উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে নিহতদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় অংশগ্রহণ করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ সহ শোকাহত গ্রামবাসী। জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন সম্পন্ন করা হয়। কুমিল্লার বরুড়ার বাঘমারা গ্রামে স্বজনদের পাশা পাশি এলাকা বাসি, বন্ধু মহল, গুমরে কাঁদা দীর্ঘশ্বাস পেলছে। মনে হচ্ছে শুদু একটা পরিবার আগুনে দগ্ধ হয়ে শেষ হয়নি, এলাকাবাসীর হৃদয়ে দগ্ধ হয়েছ। একটি সাজানো পরিবার মাত্র কয়েক দিনের ব্যবধানে পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে গেল।এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় আড্ডা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বাদল আজ বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ইউনিয়নব্যাপী একদিনের শোক ঘোষণা করেছেন।
নিহতরা হলেন:
১. শাওন (শাখাওয়াতের বড় ছেলে)(১৭)
২. রানী বেগম (৩৮) (শাখাওয়াতের স্ত্রী)
৩. সামির আহমেদ সুমন(৪০) (শাখাওয়াতের মেজু ভাই)
৪. পাখি আক্তার(৩৫) (সুমনের স্ত্রী)
৫. শাখাওয়াত হোসেন (৪৬)
এমন করুণ পরিস্থিতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। আমরা তাঁদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং সমবেদনা জানাচ্ছি। যারা এখনো জীবিত আছে তাদের সুস্থতা কামনা করি।