চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বি*স্ফো*রণে একই পরিবারের শিশুসহ দ*গ্ধ ৯ জনের মধ্যে ৫জনের মৃ*ত্যু হয়েছে।

Date: 2026-02-25
news-banner
চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাস বি*স্ফো*রণে একই পরিবারের শিশুসহ দ*গ্ধ ৯ জনের মধ্যে ৫জনের মৃ*ত্যু হয়েছে।

মো:শাখাওয়াত হোসাইন।

২৩ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ঢাকায় নেয়ার পথে একজনের মৃ*ত্যু হয়। আইসিউতে চিকিৎসাদিন অবস্থায় আরো চারজন সহ মোট পাঁচজন দুনিয়া থেকে বিদায় নেন । এর আগে ভোরে হালিশহরের এইচ ব্লকের এসি মসজিদসংলগ্ন এলাকায় হালিমা মঞ্জিল নামে ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলার রান্নাঘরে মা'রা'ত্মক  বি'স্ফো'রণের ঘটনা ঘটে।বি'স্ফো'রণের ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন: শাখাওয়াত হোসেন (৪৬),শাখাওয়াত এর স্ত্রী রানি আক্তার, মো. শিপন (৩০), মো. সুমন (৪০),মো. শাওন (১৭), মো. আনাস (৭), মো. আইমান (৯), আয়েশা আক্তার (৪), পাখি আক্তার (৩৫)। তাদের মধ্যে পাখি এবং সাখাওয়াতের শরীর শতভাগ পু*ড়ে গেছে। এ ছাড়া একজনের ৮০, একজনের ৪৫ এবং বাকিদের শরীর ২০- ২৫ শতাংশ দ*গ্ধ হয়েছে।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, ভোরে ছয়তলা ভবনের তৃতীয় তলায় রান্নাঘরে জমে থাকা গ্যাসের বি*স্ফোর*ণ হয়। এতে ঘরে থাকা নারী, শিশুসহ মোট ৯জন দগ্ধ হয়। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়। অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়। ঢাকা যাওয়ার পথে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কুমিল্লায় একজন (শাখাওয়াত এর স্ত্রী)  মৃ*ত্যু হয়েছে।
বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক ডা. মো. আসফাকুল আসিফ জানান, দগ্ধদের সবার শ্বাসতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শিশুসহ তাদের সবার অবস্থাই আশঙ্কাজনক। আইসিইউ জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
বি*স্ফো*রণের পর ফ্ল্যাট থেকে প্রথম বের হওয়া লোকটির গগন*বি*দারক চিৎকার আল্লাহ্‌! আল্লাহ্‌! আ*গু*নে জ্ব*ল*তে থাকা, হিতাহিত জ্ঞা*ন হারানো এক নারী কী করবে বুঝতে না পেরে পাশের ফ্ল্যাটে ঢুকে পড়ে, আবার কিছুক্ষণ পর আ*গু*ন শরীরেই নিয়ে নিচে নেমে যায়।

শরীরে দগদগে পো*ড়া ক্ষ'ত নিয়ে বের হওয়া এক ন*গ্ন ব্যক্তি প্রথমে প্রাণ বাঁচাতে নিচে নেমে যায়। কিন্তু কী ভেবে যেন আবার উপরে উঠে যায়—হয়তো পরিবারের কথা ভেবেই। তখনও লজ্জাস্থান ঢেকে সম্মান বাঁচানোর প্রাণপণ চেষ্টা করেন ।এদিকে অন্যান্য তলার বাসিন্দারা আ*ত*ঙ্কে পরিবার নিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নেমে যায়।কিন্তু পাশের ফ্ল্যাটের একটি পরিবার জীবনের ঝুঁকি নিয়েও ক্ষতিগ্রস্তদের বাঁচানোর চেষ্টা চালায়—এই মানুষগুলোর জন্য মন থেকে দোয়া। 
তবে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক মুহূর্ত—এক নারী ছোট্ট শিশুটিকে উদ্ধার করে কাঁদতে কাঁদতে নিয়ে যায়। শিশুটির মুখ দেখা না গেলেও, যারা দেখেছে তাদের আ'ত'ঙ্ক আর চিৎকারেই বোঝা যাচ্ছিল ক্ষতের ভয়াবহতা। নিজের সন্তানের কথা মনে করে বুকটা মোচড় দিয়ে উঠেছিল।
নিয়তি কত নি*ষ্ঠু*র।

এক ফ্ল্যাটে দুই ভাইয়ের পরিবার থাকতো। আরেক ভাইয়ের পরিবার চিকিৎসার জন্য এসেছিল। মোট ৯ জন অগ্নিদগ্ধ—৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক, ৩ জন শিশু। অনেকের অবস্থা আশ'ঙ্কা' জনক, শ্বা*সনালী পু*ড়ে গেছে তাদের । প্রায় দুই ঘণ্টা চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস আ*গু*ন নিয়ন্ত্রণে আনে।

Leave Your Comments